ভালো কেস-নোট ছাড়া ভালো প্রেসক্রিপশন হয় না।
অর্গাননের §৮৪–১০৪-এ কেস নেওয়ার বিস্তারিত পদ্ধতি আছে। সারকথা: রোগীকে নিজের ভাষায় বলতে দিন, মাঝখানে বাধা দেবেন না। প্রতিটি লক্ষণের ক্ষেত্রে লিখুন — কখন শুরু, ঠিক কোথায়, অনুভূতি কেমন, কিসে বাড়ে, কিসে কমে।
শুধু বর্তমান লক্ষণ নয় — অতীতের রোগের ইতিহাস, পারিবারিক ইতিহাস, মানসিক অবস্থা, পছন্দ-অপছন্দ, খাদ্যাভ্যাস, ঘুম ও স্বপ্ন — সবই কেসের অংশ। শিশুদের ক্ষেত্রে গর্ভকালীন ইতিহাস ও টিকার ইতিহাসও অনেকে নোট করেন।
§৬-এর বিখ্যাত শিক্ষা: চিকিৎসক হবেন ‘অপক্ষপাতী পর্যবেক্ষক’। নিজের পূর্বধারণা দিয়ে রোগীর বর্ণনা বদলে দেওয়া যাবে না; যা শুনলেন, ঠিক তা-ই লিখতে হবে।
এই অ্যাপের চিকিৎসা ডায়েরিতে লক্ষণ লেখার অভ্যাস গড়ে তুললে কেস-নোটের এই শৃঙ্খলা আয়ত্ত করা সহজ হবে।