বাংলা হোমিওপ্যাথি
← তালিকায় ফিরুন

পাঠ ৫: পোটেন্সি ও ন্যূনতম মাত্রা

ডাইলিউশন, সাকাশন ও শক্তির স্কেল — ধারণাগত পরিচিতি।

হ্যানিম্যান দেখেন, দ্রব্যকে ধাপে ধাপে দ্রবীভূত (ডাইলিউট) করে প্রতিটি ধাপে নির্দিষ্ট মাত্রায় ঝাঁকুনি (সাকাশন) দিলে ঔষধের ক্রিয়া গভীর হয়, অথচ কাঁচা দ্রব্যের বিষক্রিয়া থাকে না। এই প্রস্তুত ঔষধের ধাপকেই বলা হয় পোটেন্সি বা শক্তি।

প্রধান স্কেল তিনটি: দশমিক স্কেল (X বা D — প্রতিবার ১:১০), শতক স্কেল (C — প্রতিবার ১:১০০) এবং পঞ্চাশ-সহস্রাংশ স্কেল (LM বা Q — ৬ষ্ঠ সংস্করণে বর্ণিত)। একই ঔষধের বিভিন্ন শক্তির কাজের ধরন ভিন্ন হতে পারে।

কোন রোগীকে কোন শক্তি, কতবার — তা কেসের প্রকৃতি, রোগীর সংবেদনশীলতা ও চিকিৎসকের অভিজ্ঞতার বিচার। ‘ন্যূনতম মাত্রা’ নীতির অর্থ: যত কমে কাজ হয়, তার বেশি নয়। এই পাঠে কোনো নির্দিষ্ট মাত্রার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি — সেটি চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত।

⚠️ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইট ও অ্যাপ শিক্ষামূলক তথ্যের জন্য। এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়; জরুরি অবস্থায় দেরি না করে হাসপাতালে যান। শক্তি ও মাত্রা সবসময় নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করুন।