বর্ষা ও পরবর্তী মাসগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে — মশা নিয়ন্ত্রণ আর প্রাথমিক যত্নের নিয়ম জানা থাকলেই ঝুঁকি অনেক কমে।
প্রতিরোধই প্রধান: বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি (টব, টায়ার, খোলা পাত্র) নিয়মিত ফেলে দিন; দিনের বেলাতেও মশারি ব্যবহার করুন, বিশেষ করে শিশু ও রোগীর জন্য; শরীর ঢাকা জামা পরুন।
জ্বর হলে প্রথম করণীয় বিশ্রাম ও প্রচুর তরল — পানি, ওআরএস, ডাবের পানি, স্যুপ; জ্বরমাপা ও তরল গ্রহণের হিসাব রাখুন। জ্বরের ঔষধ শুধু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিন — ব্যথানাশকের অনেকগুলো ডেঙ্গুতে বিপজ্জনক হতে পারে, তাই নিজে থেকে কিনে খাবেন না।
চিকিৎসক সাধারণত NS1 পরীক্ষা (প্রথম দিকে) ও প্লাটিলেটসহ CBC দেখে অবস্থা মূল্যায়ন করেন। প্লাটিলেটের সংখ্যা একাই সব নয় — সামগ্রিক অবস্থাই মূল বিষয়; অযথা আতঙ্কিত হবেন না, কিন্তু নজরদারি ছাড়বেন না।
বিপদ-সংকেত — যেকোনোটি দেখলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যান: তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, মাড়ি/নাক দিয়ে রক্ত, কালো পায়খানা, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা অচেতন ভাব, প্রস্রাব কমে যাওয়া, শরীর ঠান্ডা হয়ে আসা। জ্বর ছেড়ে যাওয়ার পরের ১–২ দিন সবচেয়ে সতর্ক থাকুন।