যারা নিজের কথা ঠিকভাবে বলতে পারেন না, তাঁদের কেস নেওয়ার কৌশল ও সতর্কতা।
শিশুরা নিজের অনুভূতি ভাষায় বলতে পারে না, তাই শিশুর কেস নেওয়া হয় পর্যবেক্ষণ ও মা/অভিভাবকের বর্ণনা থেকে: কান্নার ধরন, ঘুমের ভঙ্গি, কোন পাশে শুতে চায়, কিসে শান্ত হয়, খাওয়ার ধরন, ঘাম-তৃষ্ণা-মলের পরিবর্তন — এসব ছোট ছোট পর্যবেক্ষণই শিশুর ক্ষেত্রে মূল লক্ষণ। গর্ভকালীন ও প্রসব-সংক্রান্ত তথ্যও অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়।
বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ আলাদা: একসঙ্গে অনেক রোগ ও অনেক চলমান ঔষধ থাকে। তাই অন্য চিকিৎসকের দেওয়া ঔষধের পূর্ণ তালিকা জানা এবং সেগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা অপরিহার্য। বৃদ্ধ রোগীর কোনো চলমান ঔষধ চিকিৎসকের অজান্তে বন্ধ করা বিপজ্জনক হতে পারে।
উভয় ক্ষেত্রেই একটি নীতি অটুট: অস্বাভাবিক বা জরুরি কোনো লক্ষণ দেখা দিলে (শিশুর পানিশূন্যতা, খিঁচুনি, বৃদ্ধের হঠাৎ বুকে ব্যথা বা পড়ে যাওয়া) আগে জরুরি চিকিৎসা — পদ্ধতিগত বিতর্কের জায়গা সেখানে নেই।
শক্তি ও মাত্রার সিদ্ধান্ত প্রতি রোগীর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসকই নেন; বয়স অনুযায়ী নিজে থেকে মাত্রা বাড়ানো-কমানো ঠিক নয়।