হাজারো লক্ষণের ভিড় থেকে ঔষধের ছোট তালিকায় পৌঁছানোর সাজানো পদ্ধতি।
রেপার্টরি হলো লক্ষণ অনুযায়ী সাজানো সূচি-গ্রন্থ: প্রতিটি লক্ষণের (রুব্রিক) পাশে থাকে সেই লক্ষণে কার্যকর ঔষধের তালিকা। বোনিংহাউসেন ও কেন্ট প্রমুখের রেপার্টরি ধ্রুপদি চর্চার ভিত্তি। এই অ্যাপের ‘রেপার্টরি’ বিভাগে ১৭টি অধ্যায়ে ৯৬টি সূত্র দেওয়া আছে — বইয়ের বিশাল রেপার্টরির একটি ছোট, হাতে-কলমে ব্যবহারযোগ্য রূপ।
ব্যবহারের ধাপ সাধারণত এভাবে হয়: (১) পূর্ণাঙ্গ কেস নিয়ে রোগীর সবচেয়ে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লক্ষণগুলো বেছে নিন; (২) প্রতিটি লক্ষণের সূত্রে পাওয়া ঔষধের তালিকা মিলিয়ে দেখুন কোন ঔষধগুলো বারবার আসছে; (৩) সেই ছোট তালিকার প্রতিটি ঔষধের পূর্ণ চিত্র মেটেরিয়া মেডিকায় পড়ে রোগীর সঙ্গে মেলান। রেপার্টরি শুধু তালিকা ছোট করে — চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সবসময় মেটেরিয়া মেডিকার পূর্ণ চিত্র দেখেই হয়।
বড় রেপার্টরিগুলোতে ঔষধের গুরুত্ব অনুযায়ী গ্রেড (১ম, ২য়, ৩য়) দেওয়া থাকে — প্রুভিং ও ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় যত বেশি নিশ্চিত, গ্রেড তত বেশি। এই অ্যাপের তালিকায় ঔষধগুলো সাধারণ বিবেচনার ক্রমে সাজানো।
সতর্কতা: একটি মাত্র সাধারণ লক্ষণ দেখে ঔষধ বাছাই করা নির্ভরযোগ্য নয়। অসাধারণ, অদ্ভুত ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লক্ষণই (পাঠ ৭) সঠিক ঔষধের দিকে সবচেয়ে ভালো ইঙ্গিত দেয়।