সুস্থ মানুষের ওপর পরীক্ষা করেই তৈরি হয় প্রতিটি ঔষধের পূর্ণ চিত্র।
প্রুভিং হলো সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীর ওপর কোনো দ্রব্য প্রয়োগ করে তার সৃষ্ট সব লক্ষণ যত্নে নথিভুক্ত করা। হ্যানিম্যান নিজে, তাঁর পরিবার ও শিষ্যরা বহু ঔষধের প্রুভিং করেন — এভাবেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে মেটেরিয়া মেডিকা (ঔষধ-বিজ্ঞান)।
প্রুভিংয়ে শুধু শারীরিক লক্ষণ নয় — মানসিক লক্ষণ, ঘুম, স্বপ্ন, খাদ্যে আগ্রহ এবং কিসে বাড়ে-কমে (মডালিটি) — সবই লেখা হয়। এই অ্যাপে প্রতিটি ঔষধের প্রোফাইলে মানসিক লক্ষণ ও বাড়া-কমা আলাদা করে দেওয়ার কারণ ঠিক এটাই।
একটি ঔষধের প্রুভিং যত বিশ্বস্ত ও পূর্ণাঙ্গ, রোগীর লক্ষণের সঙ্গে তার মিল তত নির্ভুলভাবে যাচাই করা যায়। তাই নির্ভরযোগ্য প্রুভিং ছাড়া কোনো ঔষধের চিত্র অসম্পূর্ণ থেকে যায়।