বাংলাদেশের শীত মৃদু হলেও এই সময়টায় সর্দি-কাশি, ত্বকের শুষ্কতা ও বয়স্কদের সমস্যা বাড়ে।
শীতের ভোর ও রাতের ঠান্ডা বাতাসে সর্দি-কাশি ও হাঁপানির প্রবণতা বাড়ে। ভোরে বাইরে বের হলে মুখ-নাক ঢেকে রাখুন, গরম পোশাক পরুন এবং হঠাৎ গরম ঘর থেকে ঠান্ডায় বের হওয়া যতটা সম্ভব ধীরে করুন। যাদের হাঁপানি বা দীর্ঘদিনের কাশি আছে, তারা এই সময়টায় বিশেষ সতর্ক থাকুন।
ত্বকের শুষ্কতা শীতের সাধারণ সমস্যা: গোসলে অতিরিক্ত গরম পানি ও বেশি সাবান ত্বক আরও শুকিয়ে দেয়। গোসলের পর তেল বা ময়েশ্চারাইজার লাগান, ঠোঁট ফাটলে যত্ন নিন, এবং পা ফাটা অবহেলা করবেন না — ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ফাটল থেকে সংক্রমণ হতে পারে।
শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি যত্ন লাগে: রাতে গরম কাপড় নিশ্চিত করুন, তবে ঘর বন্ধ করে কয়লা বা কেরোসিনের আগুন জ্বালিয়ে ঘুমানো বিপজ্জনক — ধোঁয়া ও কার্বন মনোক্সাইডে বিষক্রিয়া হতে পারে। ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।
দেরি না করে হাসপাতালে যাবেন যদি: শ্বাসকষ্ট বা বুকে শব্দ হয়, শিশু খাওয়া ছেড়ে দেয় বা অস্বাভাবিক ঝিমোয়, বয়স্ক ব্যক্তি হঠাৎ বিভ্রান্ত হন, অথবা জ্বরের সঙ্গে কাঁপুনি ও দুর্বলতা বাড়তে থাকে।