জার্মান চিকিৎসক ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের প্রতিষ্ঠিত এই চিকিৎসা-পদ্ধতির মূল ধারণাগুলো সহজ ভাষায়।
হোমিওপ্যাথির ভিত্তি হলো ‘সদৃশ বিধান’ — অর্থাৎ কোনো পদার্থ সুস্থ শরীরে যে ধরনের লক্ষণ তৈরি করতে পারে, অনুরূপ লক্ষণযুক্ত অসুস্থতায় সেই পদার্থের সূক্ষ্ম মাত্রা ব্যবহার করা হয়।
এই পদ্ধতিতে রোগের নামের চেয়ে রোগীর সামগ্রিক লক্ষণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই একই নামের রোগে দুইজন রোগীর লক্ষণ আলাদা হলে তাঁদের ঔষধও আলাদা হতে পারে।
সাধারণত একবারে একটি ঔষধ ও ন্যূনতম মাত্রা ব্যবহারের নীতি অনুসরণ করা হয় এবং রোগীর প্রতিক্রিয়া দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সঠিক ঔষধ নির্বাচনের জন্য রোগীর শারীরিক লক্ষণের পাশাপাশি ঘুম, ক্ষুধা, তৃষ্ণা, আবহাওয়ার প্রভাব ও মানসিক অবস্থাও জানা জরুরি। এ কারণে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পূর্ণাঙ্গ কেস নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।