ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার মূল ভিত্তি জীবনযাপন, নিয়মিত পরীক্ষা ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান।
ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি অবস্থা, যেখানে শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতি বা কার্যকারিতা কমে রক্তে শর্করা বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে চোখ, কিডনি, স্নায়ু ও হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে — তাই নিয়মিত ফলো-আপ অত্যন্ত জরুরি।
নিয়ন্ত্রণের ভিত্তি তিনটি: সুষম খাদ্য (পরিমিত ভাত-রুটি, বেশি সবজি, চিনি ও মিষ্টি সীমিত), নিয়মিত হাঁটা ও শারীরিক কার্যকলাপ, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলমান ঔষধ নিয়মিত সেবন। নিজে থেকে কোনো ঔষধ বন্ধ বা বদল করা বিপজ্জনক।
সতর্ক থাকুন: টাইপ-১ ডায়াবেটিসে ইনসুলিনের কোনো বিকল্প নেই, আর কোনো পদ্ধতির ঔষধ ইনসুলিনের বদলে ব্যবহার করা মারাত্মক হতে পারে। ‘ডায়াবেটিস একদম সেরে যাবে’ — এমন প্রতিশ্রুতি যে-ই দিক, সতর্ক হোন; বিজ্ঞানসম্মত চর্চায় এমন নিশ্চয়তা দেওয়া হয় না।
যেকোনো সহায়ক চিকিৎসা নিতে চাইলে তা হতে হবে আপনার প্রধান চিকিৎসকের জ্ঞাতসারে ও নিয়মিত রক্তশর্করা পরীক্ষার পাশাপাশি। এই অ্যাপের ঔষধ-তালিকায় ডায়াবেটিস-ছবিতে ঐতিহ্যগতভাবে আলোচিত কিছু ঔষধের তথ্য আছে — তা শুধু শিক্ষামূলক তথ্য, চিকিৎসার নির্দেশনা নয়।